Monday, March 11, 2019

সেনানী সফর ২০১৯

মার্চ এর ১০ তারিখ
দিন টি ছিলো রবিবার
সেনানী সফরে গিয়েছি মোরা
বান্দরবানের ঐ দূর পাহাড়।

সকাল হতে যাত্রা শুরু,
মধ্যখানে বিরতি নাস্তার
সকলে ছিলাম খুশি,
যখন হলাম ফেরিপারাপার।

চলছে গাড়ি পাহাড়ি উঁচু নিচু
আঁকাবাকা পথ বেয়ে,
কেউ পড়ছে নাত কছিদা
কেউ শুনছে মুগ্ধ হয়ে।

দুপুরের কাছাকাছি থামলো গাড়ি
"মেঘলা" গিয়ে,
কমলা রঙের টি শার্টে  অপূর্ব
মেঘলা 'র প্রকৃতি গেল ছেয়ে।

বনভোজন হলো মেঘলায়
সু-স্বাদু খাবার ছিলো তালিকায়,
খাবার শেষে পড়লাম নামাজ,
তারপর ঘুরাঘুরি প্রকৃতির মোহনায়।

কেউ দুলে ঝুলন্ত ব্রিজে
কেইবা চালায় নৌকা,
মিলেমিশে ছিলাম মোরা
নয়তো কেউ একা।

বিকেলে সবাই একসাথে
গেলাম নীলাচলে,
চাঁদের গাড়ির চরম গতিতে
সবাই হেলেদুলে।

নীলাচলের নিচ পাহাড়ে
অভিষেক নিলাম সেরে,
শপথ করেছি মোরা একসাথে
কাজ করব সুন্নিয়তের তরে।

অভিষেক শেষে শুরু হলো কুইজ
সেনানী ভাইদের নিয়ে,
সবাই ব্যস্ত উত্তর লিখতে নিভুলভাবে
কেউ লিখছে মাথা খাটিয়ে।

অতপর বেড়ানো প্রকৃতির মাঝে
কেউবা ছবি তুলছে বন্ধুদের নিয়ে,
এভাবে কেটে গেলো মধুর সেই ক্ষন
সন্ধায় আসতে হলো  ছাড়িয়ে।

গাড়ি উঠলাম আবার সকলে
ফিরে যেতে হবে নীরে,
ক্লান্ত দেহ নিয়ে বসে বাসের আপন সিটে
এসেছি ধীরে ধীরে।

বেলা শেষে বলবো আমরাই সফল!!
সাক্ষী আছে বান্দরবানের মেঘলা আর নীলাচল।

......................................................
হাফেজ মুহাম্মদ হাসান ইমাম
রাউজান, চট্টগ্রাম।
তারিখ ১১/০৩/২০১৯

Wednesday, March 6, 2019

মিশে যাব শূণ্যে

অন্ধকার ঘর,! চারপাশে তিমির কালো
এক কোণায় পড়ে আছে অতৃপ্ত আত্মা,
মনে হয় গৃহবন্দী সেই, বেড়ুতে পারেনা কিছুতেই
যেন হাত পা তার বাধা!!

নিরব গোঙানি শুনেনা কেউ, কিংবা বুঝতে পারেনা
কোনো ভাবেই,অবাধে ঝড়ছে অশ্রু জল,।
অবিরাম বর্ষায় যেমন মাঠ-ঘাঠ ভরে যায় অ তৈ পানিতে, যেভাবেই ডুবে গেছে মনের অন্দরমহল।!

থাক থাক এভাবে, আছি আর বলো কতকাল!?
একদিন ছুটি হবে, মিশে যাবো শূণ্যে,
আর দেখা হবে না, কিংবা বলা হবেনা কোন কথা
শুধু উদাস চোখে আকাশের ঐ তারা গুনবে।

ফিরে ফিরে আসবো আমি বারেবার,
তোমার দু'নয়নে অশ্রু ধারা হয়ে,
ঝড়তে দিওনা সেই আঁখি জল, স্বযত্নে রেখো তুলে
তোমার হৃদ মাঝারে, কখনো যাবো না ক্ষয়ে।


প্রিয়তমা

প্রিয়তমা! তোমারই মিষ্টি চাহনি
পাগল করে আমায়,
তোমার সুভ্র হাসির ঝিলিকে
আমি আমাতে হারায়।

বারে বার ইচ্ছে জাগে শুনতে
তোমারই মিষ্টি দুষ্টু কথা,
দিও না ওগো দিওনা এই সরল মনে
দুঃখ কষ্ট ব্যথা।

ভাল্লাগে তোমারই  ঐ কড়া শাসন
যখন চলি বেখেয়ালি,
ইচ্ছে জাগে সারাক্ষণ ভালবাসি ভালবাসি
শুধু একথায় বলি।

তুমি থাকলে স্বর্গ সুখ আসে মনে
চারিদিকে বহে বাতাস মধুময়,
তোমারই শূন্যতায় জ্যোস্ন রাতকে ও
তিমির কালো মনে হয়!

তুমি আসো শাড়ির আচল ছড়িয়ে
ছোয়া লাগুক আমার ভাবনায়
হারাতে চাইনা তোমায়,ওগো তুমি থাকো
আমার সকল ব্যস্ততায়।

শোন

শোন! শোন! অবুঝ বালক!
হৃদয়ে কী পড়ছে চোট!?
নাকি গভীর ক্ষতের তীব্র ব্যথায় কাতর
নড়ছে না তোমার ঠোঁট!!?

জানি তুমি অপরাধী শুধু ই অপরাধী
বুঝবেনা কেউ তোমায়,
এই ধরায় ভালবাসার নেই কোন দাম
বিনা কারণে সবাই অশ্রু ঝড়ায়।

যাকে তোমার হৃদয় এতো আপন ভাবে
তাকে কখনো কি কাছে পাবে?
ভালোবাসার এই কবিতা শুনে বলো
সে কি সাড়া দিবে??

আমার কবিতা সর্বক্ষন এই চিরসত্য
অমূল্য এই কথাই বলে,
শুধু ভেবে ভেবে কি লাভ বলো
আবেগ দিয়ে কি জীবন চলে??

একাকী এসেছ তুমি মাতৃগর্ব থেকে
একাই ফিরবে মাটির নিচে,
বৃথা সময় কেন করো অপচয় বুঝবে না কভু
কোনো পড়ে আছ মিথ্যে মায়ার পিছে!!?

দেখো দেখো দিচ্ছে ডাক ঐ দিগন্তের সীমানা থেকে আলোর মশাল হাতে,
চলো চলো এগিয়ে যায় সম্মুখপানে মাথা উঁচিয়ে
সত্য ও ন্যায়ের পথে।

ধোঁয়া

ধুলিমাখা টিশার্ট অগোছালো চুল
হাতে আছে নিকোটিন,
একরাশ কষ্ট, অজানা কিছু ব্যাথা
বেড়ে যাচ্ছে দিন দিন।

কেউ বুঝেনা, কাউকে দেখাতে পারিনা
হৃদয়ের ক্ষত কতো,
রঙিন কাপড়ে মোড়ানো কত জিন্দা লাশ
আছে যে শত শত।

দেহের মরণের আগে মৃতপ্রায় হয়ে আছে
এই অবুঝ সরল মন,
অপেক্ষার প্রহর গুনছি, কভু কি আসবেনা
মোর প্রিয় সেই জন।!?

চলে যায় সময়,বয়ে যায় দিন,বয়ে যায় শুভক্ষণ
তবুও সে ফিরে আসেনা,
এই অবুজ মনের ব্যথার তিব্রতা যে কতো!!
সে কি বুঝতে পারেনা"!?

সে না বুঝলেও বুঝে আমার হাতে থাকা
জ্বলন্ত নিকোটিনের ধোঁয়া,
ধোঁয়ার গভীরে হারিয়ে যায় সকল কষ্ট
কিংবা ভালবাসার ছোয়া।

কুয়াশা

বিষন্ন মনে হাটছি একাকী এই সময়ে
চারপাশে দেখছি শুধু ধুসর কুয়াশা,
স্বার্থের এই পৃথিবীতে কিছুই ভাল্লাগে না
সারাক্ষণ ঘিরে রাখে হতাশা।

ব্যস্ততা আর বাস্তবতা শেষ করে দিচ্ছে
সকল রঙিন আশা,
সবকিছু ছেড়ে তারপরও ফিরে পেতে চাই
হারানো ভালবাসা।

কাঁদছে অঝোরে কাঁদছে আজ আকাশ
অশ্রু হয়ে ঝড়ছে বৃষ্টির ফোটা,
বসন্তের ফুলগুলো যেন আজ টুটে গেছে
লাগেনি সেথায় ভালবাসার ছোয়া।

বেচে আছি নীর হারা কোনো পাখির মতো
ছুটছি অবিরাম শান্তির খোজে,
জানিনা ফিরে পাবো কিনা সেই রঙিন মুহুর্ত গুলো
না কি ব্যর্থ হবো বেলা শেষে।?

কুয়াশার ডাল ভেঙে আলো আসুক আবার সেই
ফর্সা রোদের মতো,
এই প্রার্থনা বিধি তোমার কাছে দিবা রাতিতে
করে যায় অবিরত।


Thursday, February 28, 2019

আমি কোনো অগান্তুক নই

আমি কোনো অগান্তুক নই
আমিও তোমাদের মতো।
দুঃখ পেলে কাঁদি
সুখের ছোয়াতে হাসি।
ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখি
বিরহ ব্যথায় ভিজে যায় আঁখি।

আমার বড় ইচ্ছে জাগে যোগ দিতে
তোমাদের উল্লাসে
তোমাদের উৎসবে
তোমাদের দুঃখ সুখের সাথী হতে
আমাকে ডাকলে কি ক্ষতি হতো!?
আমি কোনো অগান্তক নই।
আমিও তোমাদের মতো।

আমাকে কেন করো এতো অবহেলা!?
আমি নই কারো মিছে-মিছি পুতুল খেলা।
আমারও আছে আবেগ।
আমারও  আছে বিবেক।
আমি ভাগ করে নিতে চাই মনের দুঃখ যতো।
আমি কোনো অগান্তুক নই,
আমিও তোমাদের মতো।

আমার একটা বিশাল হৃদয় আছে
সেই হৃদয়ে আছে মানবতার কথা
আছে লিখা ন্যায়ের ভাষা।
আমিও বুঝতে পারি।
ভালোবাসি বলতে পারি।
বলো কিভাবে আর,তোমাদের বুঝাবো কতো!?
আমি কোনো অগান্তুক নই
আমিও তোমাদের মতো।।



ভালো থাকো রোজ

প্রেয়সী! গতরাতে তোমার স্মৃতি মিশে থাকা ছবিগুলো ডিলিট করে দিয়েছি ইচ্ছে করেই, মোবাইলের মেমোরি থেকে এক ক্লিকেই মুছে ফেলা যায় কত সহজে, অথচ, ...